Wednesday, November 30, 2011

গুরুত্বায়ন

আজকে কাজ করতে গিয়ে আবার কিছুটা ফ্লাস্টারড হয়ে গেলাম। মানসশক্তি, আত্মনিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি কঠিন ব্যাপার। বুঝতে পারি কিছু জায়গায় অপটিমাইজড হচ্ছে না, যথেষ্ট ভ্যালু এ্যাড হচ্ছে না, তাও রোলিং ইনার্শিয়া এড়ানো বড্ড কঠিন লাগে। :) আর, 'কনভেনশনাল উইসডম'-এ সবসময় ভরসা রাখতে মনও চায় না। কিন্তু 'কনভেনশনাল উইসডম' বাজে বলে তো ছেড়ে দিলে হবে না, আমি নিজের সুইট-পয়েন্ট, পেইন-পয়েন্ট তো টের পাই।

আসলে কি জানেন, নানাজাতের থিওরি থাকবেই। কিন্তু মাইক্রো লেভেলটা নিতান্তই আপনার, আর ওখানেই মজাটা।

উদাহরণস্বরুপ, সকালে হারুনের জন্য যে ম্যাক্রো লেভেলের প্রেজেন্টেশনটা সময় একেবারে ব্লক করে করলাম, সেটা কিন্তু করে খুব শান্তি পেয়েছি (প্রেজেন্টেশন পাওয়ারপয়েন্টের চরম ফাজলামিতে খোয়ানোর পর রিকভারিটাও কিন্তু শিয়ার ওয়ার্ল্ড ভিউ ম্যান!)। কিন্তু তারপরই জিপিআইটির ই-মেইল গ্রুপ নিয়ে যেই জিনিসটা হল, সেখানে প্রসিডিউরাল ফেটিশ না থাকলে কি সময় বাঁচানো যেতো না? এবং এর পরই আবার লাগাম ছেড়ে দিচ্ছিলো, পুনঃপ্ল্যানিং করে ভারসাম্য আনাটাও কিন্তু ভালই ব্যাপার! :)

এভাবেই শেখা হবে, বেশি ত্বরা করে লাভ নেই। এই লেখাটাও একটা শেখা। আরো মনে হয় যেটা, আধা ঘন্টা পর পর কাজের লিস্ট পুনর্বিবেচনা করা উচিৎ। মাথা গরম থাকলে কিছু একটা করে মাথা ঠান্ডিয়ে বসা উচিৎ। খুব ভাল কাজ হয় - প্রায়োরিটাইজেশনটা হয়। ড্রাকার বলেছিলেন না, দুনিয়ার সেরা এফিশিয়েন্সির সাথে যে কাজটা করার দরকারই ছিল না, সেটা করে লাভ নেই। :)